Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

সেবার ধরণ সেবা সেবা প্রদান/প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধা সমূহ   
    নাগরিক পর্যায় সরকারি পর্যায়   

 

প্রশিক্ষণ পিটিআই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের ১ বছরের জন্য পিটিআই তে প্রশিক্ষণে পাঠালে বিদ্যালয়ে পাঠদানের ব্যাঘাত ঘটে।ফলে শিশুদের প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়না । গুনগত শিক্ষা অর্জিত হয়না ।
দূর্বল ভিত্তি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার ফলে ঝরে পড়ার হার বাড়ে ।
প্রাথমিক শিক্ষা চক্র শেষ করতে গড়ে ৭ বছরের ও বেশি সময় লাগছে ফলে দেশ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছে ।   
  বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বিষয় ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক এর অভাব ।
শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একই শিক্ষককে নির্ধারিত বিষয়ের বাইরেও অন্য ক্লাস নেয় লাগে, তখন শিক্ষকের আগ্রহ থাকে না ।
সকল বিষয়ের প্রশিক্ষণের সময়কাল সমান হওয়ায় গণিত, ইংরেজি ইত্যাদি বিষয়ের প্রশিক্ষণ অসম্পূর্ণ থেকে যায় । বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ না করার ফলে প্রশিক্ষণে সরকারের অর্থ খরচ হচ্ছে আবার প্রশিক্ষণের কারনে সময়ও অপচয় হচ্ছে ।
বিষয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী প্রশিক্ষণের সময় নির্ধারণ না করার ফলে কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছেনা ।
প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারিত কোন সময় না থাকার ফলে
শিক্ষকবৃন্দ যেমন সমস্যায় পড়েন তেমনি দাপ্তরিক ভাবেও জটিলতায় পড়তে হয় ।   
  এসএমসি, স্লিপ কমিটি, ইত্যাদি প্রশিক্ষণ কমিটির মাত্র ২/১ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ফলে প্রশিক্ষণটি কার্যকর হয় না ।
কমিটিতে শিক্ষিত লোকের আসার ব্যাপারে কোন গাইড লাইন বা বাধ্যবাধকতা নাই ফলে অপেক্ষাকৃদত নিরক্ষর লোকজন সদস্য হয় যারা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আগ্রহী হয়না ।
এক কমিটি প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর মেয়াদ শেষ হলে অন্য কমিটি আসে ফলে প্রশিক্ষণের আর কার্যকারীতা থাকে না ফলে  প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনকারী অনুসারে বরাদ্দ থাকে ফলেস্থানীয় কমিটির সকল সদস্যকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যায়না, এতে প্রশিক্ষণ পরবর্তী ফলাফল ভাল হয়না ।
কমিটির মেয়াদ স্বল্প থাকার ফলে প্রশিক্ষণ লব্ধজ্ঞান দীর্ঘ মেয়াদে প্রয়োগ করা যায়না ।
কমিটি গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব থাকার ফলে সঠিক সেবা পাওয়া যায়না ।
   
 সাব ক্লাস্টার ট্রেনিং একমাস পরপর অর্থাৎ বছরে ৬ বার প্রশিক্ষণ হওয়ায় শিক্ষকদের মাঝে এর গুরুত্ব কমে যায় ।
প্রশিক্ষণের লিখিত কোন ফলোআপ করার ব্যবস্থা না থাকায় প্রশিক্ষণ টি গুরুত্ব হারাচ্ছে । যথাযময়ে বরাদ্দ না পাওয়ার ফলে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যায়না ।
একই এইউই্ও বারবার প্রশিক্ষক হিসাবে থাকার ফলে প্রশিক্ষণটির গুরুত্ব কমে যাচ্ছে ।   
উপবৃত্তি বিতরণ প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি  উপবৃত্তির পরিমান ১০০/-১২৫/ টাকা যা বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যথেষ্ট নয় ।তাছাড়া এ টাকা নেয়ার জন্য তাদের অনেক দুরের ব্যাংক বা বিতরণ কেন্দ্রে যেতে হয় যা বেশ কষ্টকর ।
উপবৃত্তির জন্য সুবিধাভোগী পরিবার নির্বাচনের সময় যথাযথ নিয়ম মানা হয়না ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচিত হয়না ।
অনেক সময় সুবিধাভোগী নির্বাচনের জন্য কমিটি অর্থ আদায় করে । উপবৃত্তি বিতরনের জন্য উপজেলাতে আলাদা কোন জনবল না থাকায় কাজের ব্যাঘাত ঘটে ।
উপবৃত্তি বরাদ্দ পাওয়ার পর বিতরনের জন্য যথেষ্ট সময় না থাকার কারনে ব্যাংক সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ সম্পন্ন করতে পারে না ।   
কমিটি গঠন এসএসসি, পিটিএ, স্লিপ ইত্যাদি কমিটি শিক্ষিত লোকের কমিটিতে আসার ব্যাপারে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকায় বিদ্যালয়ের গুনগত উন্নয়নে অনেক সময় কার্যকর ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হয়না/পারেনা ।
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকার ফলে কমিটি গঠন প্রভাব মুক্ত হয়না ।
অনেক সময় সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া হয়না ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয় ।  কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার সাথে কেবল প্রধান শিক্ষক কাজ করায় প্রভাব মুক্ত হতে পারেন না ।
বিদ্যমান নীতিমালার কারণে রাজনৈতীক প্রভাবমুক্ত কমিটি গঠন সম্ভব হয়না ফলে বিরাট অংশ বিদ্যালয় বিমূখ হয় ।   
ডেপুটেশন প্রদান সিইনএড, বিএড, এমএড প্রশিক্ষণ বর্তমানে নিজ জেলার পিটিআই ব্যতীত অন্য জেলার পিটিআইতে শিক্ষকদের ভর্তির জন্য ডেপুটেশন দেয়া হচ্ছে ফলে শিক্ষকগণ সমস্যায় পড়ে ।
একইভাবে বিএড, এমএড প্রশিক্ষণের জন্য ও পচ্ছন্দমত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ না হলে শিক্ষকদের কস্ট হয় । এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে গেলে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যহত হয় ।
বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা কম থাকলে ডেপুটেশন দিতে অসুবিধা হয় ।   
টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমা শিক্ষকদের টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমা প্রদান/প্রাপ্তি টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমার সুবিধা প্রাপ্তির জন্য বিগত ৩/৫ বছরের এসিআর দিতে হয় । অনেক সময় প্রধান শিক্ষক বা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বদলী হলে এসিআর সংগ্রহে সমস্যা হয় ।
অনেক সময় মূলবেতন, টাইম স্কেকেলের ধাপের চেয়ে বেশী হওয়ার পর প্রাপ্ত হন তখন আর আগ্রহ থাকে না ।
টাইম স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার জন্য অনক সময় পেতে দেরী হয় ।  টাইম স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার বিদ্যমান ব্যবস্থার কারণে দ্রুত সুবিধা সম্ভব হয়না । যেমন উপজেলা টাইমস্কেল কমিটির সভা করে জেলায় পাঠানোর পর নিস্পত্তি হয় ।
সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যখন প্রধান শিক্ষক এসিআর দেন তখন সঠিক চিত্র উঠে আসেনা ।
বিদ্যমান নীতিমালা দীর্ঘ কিন্তু পুরোপুরি কার্যকর নয় ।   
বিদ্যুত বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর  বিদ্যালয়ের বিদ্যুত বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ বিদ্যুত বিল/ভূমি উন্নয়ন কর প্রধান শিক্ষকদের প্রাথমিক ভাবে নিজে পরিশোধ করতে হয়, পরে অফিস থেকে দেয়া হয় ।প্রধান শিক্ষক বদলী হলে এ বিল প্রাপ্তি/প্রদানে জটিলতা হয় ।
বরাদ্দ কম থাকায় পুরো বছরের বিল অফিস থেকে দেয়া হয় না ফলে প্রধান শিক্ষককে নিজ থেকে শোধ করতে হয় । চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সকল বিদ্যালয়ে পুরো বছরের বিল শোধ করা সম্ভব হয় না ।    
মেরামত বিদ্যালয়ের সংস্কার ও মেরামত প্রায় সকল বিদ্যালয়েই প্রতি বছর মেরামত ও সংস্কারের দরকার হয় কিন্তু সকল বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ না থাকায় সম্ভব হয়না ।
প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সঠিক ভাবে কাজ করা সম্ভব হয়না ।
বরাদ্দ প্রাপ্তির পর যথেষ্ট সময় না থাকায় কাজের গুনগত মান আশানুরূপ হয় না । প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য পরিমান বিদ্যালয়ে বরাদ্দ আসে ।
বিদ্যালয় নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের প্রস্তাব/মতামত পুরোপুরি অনসৃত হয়না । ফলে বিদ্যালয় নির্বাচন সঠিক হয়না ।
সকল বিদ্যালয়ে গড়ে সমান পরিমান বরাদ্দ দেয়া হয় ফলে কোন বিদ্যালয়ে কাজ বাকী থাকে আবার কোন বিদ্যালয়ে অপচয় হয় ।   
বদ্লী শিক্ষকদের আন্তস্কুল, আন্ত উপজলা, আন্ত জেলা, আন্ত বিভাগ বদলী বদলীর বর্তমান নীতিমালা মোতাবেক পাঁচ জনের কম শিক্ষক বিশিষ্ঠ বিদ্যালয় হতে সহজে বদলী হওয়া যায়না ।
জুনিয়র শিক্ষকদের বদলীর ক্ষেত্রে সমস্যা হয় কারণ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলী হয় । বিদ্যমান নীতিমালার কারণে শিক্ষকদের চাহিদা মত বদলী করা সহজ হয়না ।
বদলীর ক্ষেত্রে রাজনৈতীক প্রভাব থাকার ফলে শিক্ষকদের সমান ভাবে সুবিধা দেয়া যায় না ।   
 সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি পদোন্নতি পেতে দীর্ঘ বছর লেগে যা্ওয়ায় সহকারী শিক্ষকগণ প্র্র্র্র্ধান শিক্ষকের স্কেল অতিক্রম করেন, ফলে পদোন্নতি পেতে আগ্রহী থাকেন না ।
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বের তুলনায় স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হন না ।
প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের৩৫% কোটায় সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হওয়ায় পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হয় । বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের ৬৫% কোটায় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়ার বিধান রয়েছে । ফলে সকলের পদোন্নতির সুযোগ পেতে সময় লাগে ।
প্র্র্র্র্ধান শিক্ষকের স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় অনেকে পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হায়না ।
পদোন্নতি প্রদানের প্রক্রিয়া বেশ জটিল হওয়ায় সেবাটি দিতে দেরী হয়।    
 উচ্চতর পরীক্ষায় অংশগ্রহন অনেক সময় কখন কিভাবে আবেদন করতে হয় না জানার কারনে সেবা প্রাপ্তিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় ।  অনুমতির জন্য প্রবেশপত্র এবং পরীক্ষার রুটিন দাখিল করতে হয় যা সময় মত পাওয়া যায়না । ফলে পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেতে জটিলতার সৃষ্টি হয় ।    
 পেনশন পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক প্রকার কাগজপত্র দাখিল করতে হয় যা শিক্ষকের জন্য কিছুটা কষ্টসাধ্য হয় ।
শিক্ষক তার সার্ভিস বইএর কপি সংরক্ষণ না করায় আনেক সময় জানতে পারেন না কী কী ত্রুটি রয়েছে । সার্ভিস বইতে ঘষামাজা/কাটাকাটি থাকলে বিশেষ করে জন্ম তারিখে ঘষামাজা থাকলে জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং কেশ নিষ্পত্তি হতে দেরী হয় । সংগত কারনে পেনশনার ভোগান্তির শিকার হন ।
প্রায় ক্ষেত্রে সার্ভিস বই যাচাই করার সময় অতিরিক্ত উত্তোলন ধরা পড়ে তখন পেনশনার আর্থিক ভাবে তাৎক্ষনিক ঝুকির মধ্যে পড়েন ।
অনেক সময় বদলী, যোগদান, টাইমস্কেল প্রাপ্তি, শ্রান্তি বিনোদন প্রাপ্তি, দক্ষতা সীমা অতিক্রম, পদোন্নতি ইত্যাদি বিষয়গু্লোর অর্ডার এন্ট্রি দেয়া থাকেনা ফলে পেনশন মঞ্জুরীতে জটিলতা দেখা দেয় । 


11.4 নাগরিক সেবার তথ্য সারনী


ক্র: নং বিভাগ/
দপ্তর সেবাসমূহ/সেবার নাম দায়িদ্বপ্রাপ্ত কর্মকর্ত/
কর্মচারীর নাম সেবা প্রদানের পদ্ধতি সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় ফি/ট্যাক্স/
আনুসাংগীক খরচ সংশ্লিষ্ট আইন কানুন/বিধিবিধান নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান 
Frequency
   
 উপজেলা শিক্ষা অফিস সকল শিশুর মাঝে বিনামূ্লে্ পাঠ্যবই বিতরণ ইউইও, এইউইও এবং সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী এনসিটিবি থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমেউপজেলাতে বই প্রাপ্তির পূর্বেই উপজেলা বই বিতরণ কমিটির সভা করা হয় । তারপর উপজেলাতে সরাসরি প্রাপ্ত বই রেজিষ্টারে এন্ট্রি দেয়া হয় এবং বিদ্যালয় থেকে প্রকৃত ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যানুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের দাখিলকৃত চাহিদা মোতাবেক বই বিতরণের একুটি সূচি তৈরী করা হয় এবং নোটিশ বোর্ডে টাংগিয়ে দেয়া হয় এবং প্রধান শিক্ষকদের অবহিত করা হয় ।নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্র/শি দের নিকট বই বিতরণ করা হয় ।প্রধান শিক্ষকগণ এসএমসি ও অন্যান্যদের উপস্থিতিতে শিশুদের/ অভিভাবকদের নিকট বই বিতরণ করেন । ২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে বিদ্যালয়ে এবং ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে শিশুদের মাঝে বিতরণ করতে হয় । সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বই বিতরণ নীতিমালার আলোকে । ব্যর্থ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে ১ বার   
   উপবৃত্তি প্রদান কৃষি ব্যাংক, এইউই্ও, এসএমসি এবং শিক্ষকগণ প্রতি বছর মার্চমাসে এসএমসি এর সভার মাধ্যমে ১ম শ্রেণির জন্য সুবিধাভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয় ।উপজেলা ভিত্তিক নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী উল্লাপাড়া উপজেলায় ভর্তিকৃত মোট ছাত্র-ছাত্রীর ৭৫% উপবৃত্তির সুবিধা পায় ।বছরে ৪ বার উপবৃত্তি প্রদান করা হয় । প্রতি ৪র্থ মাসে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি মিটিং করে নির্ধারিত শর্তানুযায়ী উপবৃত্তি প্রাপ্যদের তালিকা করে অনুমোদনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেয় । এইউইও এবং ইউইও যাচাই করে চুড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করে এবং টাকা ছাড় করার জন্য নির্ধারিত ফরমেটে বিল প্রস্তুত করে আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসাবে উপজেলা নির্বাহি অফিসারের নিকট উপস্থাপন করা হয় । উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর স্বাক্ষর হওয়ার পর কৃষি ব্যাংকে প্রেরণ করা হয় ।বিল প্রাপ্তির পর ব্যাংক উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনা করে টাকা বিতরনের সূচি প্রস্তুত করে প্রধান শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করে ।নির্ধারিত সূাচি অনুযায়ী শিক্ষকগণ অভিভাবকদের অবহিত করেন এবং নির্ধারিত দিনে সুবিধাভোগী পরিবারদের উপস্থিত করেন। ব্যাংক প্রতিনিধি কয়েকটি বিদ্যালয় নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে টাকা নিয়ে উপস্থিত হন এবং শিক্ষকদের সনাক্ত করার মাধ্যমে অভিভাবকদের হাতে বরাদ্দকৃত টাকা বুঝিয়ে দেন ।উল্লেখ্য উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তানুযায়ী একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণির একই কিস্তিতে বিভিন্ন অংকের টাকা পেতে পারে । বরাদ্দ পত্রে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে, সাধারনত প্রতি ৪র্থ মাসের ২য় সপ্তাহের মধ্যে কোন ফি/টাকা দেয়া লাগে না, প্রকৃতপক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন সুবিধাভোগীকে সুবিধা পেতে কোন অর্থ খরচ করতে হয়না । প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের নির্ধারিত নীতিমালা মোতাবেক । কোন সুবিধাভোগী পরিবার উপবৃত্তি পাওয়ার নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ করার পরেও সুবিধা বঞ্চিত হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসে মৌখিক বা লিখিত ভাবে জানালে যাচাই ব্যবস্থা নেয়া হয় । প্রতি বছরে ৪ বার   
   শিক্ষকদের বদলী ক্ষেত্রমতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় উপপরিচালক এবং মহাপরিচালক শিক্ষকবৃন্দ বদলীর জন্য যেসকল ক্ষেত্রে আবেদন করে : একই উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে, এক্ই জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিদ্যালয়ে, একই বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অথবা বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ।বদলীর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দপ্তরে দাখিল করতে হয় । শূণ্যপদ থাকা সাপেক্ষে এবং বদলীর নীতিমালা পূরণ সাপেক্ষে একই উপজেলার মধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, একই জেলার ভিন্ন উপজেলার মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, একই বিভাগের ভিন্ন জেলার ভিন্ন উপজেলায় বিভাগীয় উপপরিচালক এবং ভিন্ন বিভাগের ভিন্ন জেলার ভিন্ন উপজেলায় মহাপরিচালক মহোদয় বদলীর আদেশ জারি করেন ।  ক্ষেত্রমতে ২-১৫দিন ------- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলীর সর্বশেষ নীতিমালা ----
 মাসে ৫-২০ জন   
   সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নাতি প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা পদোন্নতি কমিটি ৩ বছরের এসিআর সহ পদোন্নতির আবেদন উপজলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হয় । উপজেলা শিক্ষা অফিসার সিনিওরিটির ভিত্তিতে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী পদোন্নতির জন্য উপজেলা পদোন্নতি কমিটিতে উপস্থাপন করেন ।কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পদোন্নতির জন্য বিদ্যমান শূণ্য পদের তথ্য সহ পদোন্নতির জন্য নির্বাচিতদের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রেরণ করা হয় ।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদোন্নতি দিয়ে এবং পদায়ন করে আদেশ জারি করেন ।  প্র/শি এর শূণ্যপদ থাকা সাপেক্ষে প্রতি ৩-৬ মাস পর ------ পদোন্নতির সর্বশেষ নীতিমালা মোতাবেক ( প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের ৬৫% কোটা)     
   শিক্ষকদের বেতন উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রতি মাসের ১১ তারিখে শিক্ষকবৃন্দ নির্ধারিত ছকে হাজিরা বিবরণী সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট দাখিল করেন এবং সংশ্লিষ্ট মাসে যে সকল শিক্ষকের বেতন প্রাপ্ত তাদের ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন । উপজেলা শিক্ষা অফিসার যাচাই  করে বেতন প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারীকে নির্দেশণা দেন । বিল প্রস্তুতের পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষর করেন এবং বিলটি  ট্রেজারি ব্যাংকে প্রেরণ করেন । ব্যাংক এনড্রোর্স করে উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রেরণ করে । হিসাব রক্ষণ অফিসার বিল পাশ করার পর এ্যাডভাইস দিয়ে পূণরায় ব্যাংকে প্রেরণ করে । ব্যাংক শিক্ষকদের বেতন তাদের নির্ধারিত হিসাব নম্বরে জমা করে । পরবর্তীতে শিক্ষকবৃন্দ তাদের সুবিধা মত সময়ে চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেন । প্রতি মাসে ----- ----- ----- প্রতি মাসে   
   শিক্ষকদের পেনশন উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা,কর্মচারী  প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এলপিআর শেষ হওয়ার পর নিম্নক্ত কাগজপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হবেঃ
১. নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির জন্য আবেদনপত্র (৩ কপি ) ২. সকল শিক্ষাগতযোগ্যতার সনদ ৩. চাকুরীর পুর্ন বিবরনী  ৪. নিয়োগপত্র  ৫.  পদোন্নতির পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৬. উন্নয়ন  খাতের চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে সহানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭. চাকুরীর খতিয়ান বহি ৮. পাসপোর্ট আকারের ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত ছবি ৯. নাগরিকতব সনদ ১০. হাতের পাঁচ আংগুলের ছাপ সমবলিত প্রমানপত্র ১৩. নমুনা স্বাক্ষর ১৪.  ব্যাংক হিসাব নমবর ১৫.  চাকুরী সহায়ীকরন সংক্রামত আদেশ  ৯. উত্তরাধিকারী ওয়ারিশ নির্বাচনের সনদ ১৭. অডিট আপত্তি  ও বিভাগীয় মামলা নাই মর্মে সুস্পষ্ট লিখিত সনদ ১৮. অবসর প্রস্তুতি জনিত ছুটি (এলপিআর) এর আদেশের কপি।

পারিবারিক পেনশন
নিম্নোক্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবেঃ
১.  নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির আবেদন করতে হবে ( ৩ কপি) ২.  মৃত্যু সংক্রান্ত সনদ ৩. নিয়োগপত্র ৪. পদোন্নতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৫. শিক্ষাগত যোগ্যতা ৬. উন্নয়ন খাতে চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে সহানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭. চাকুরীর খতিয়ান বহি  ৮. চাকুরীর পূর্ন বিবরনী ৯. নাগরিকতব সনদ ১০. উত্তরাধিকারীর/ওয়ারিশ সনদ ১১. মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বেতন প্রাপ্তির সনদ ১২.  পাসপোর্ট আকারের  ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত  ছবি ১৩.  নমুনা স্বাক্ষর ১৪. উত্তারাধিকারী/ওয়ারিশগণের ক্ষমতাপত্র ১৫. বিধবা হলে পুর্নবিবরাহ না করার সনদ ১৬.  না নাবিপত্র ১৭. শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র (এলপিসি) ১৮. ব্যাংক হিসাব নম্বর ইত্যাদি ।সকল কাগজপত্র শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী যাচাই করে উচ্চমান সহকারীর নিকট উপস্থাপন করেন, উচ্চমান সহকারী যাচাই করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট উপস্থাপন করেন । উপজলা শিক্ষা অফিসার যাচাই এর পর স্বাক্ষর করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন । জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও একই ভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই হয়ে ডিপিইও চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস সহ পেনশনারকেও কপি দেন । পরবর্তীতে উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে বিল পাশ করে ব্যাংকে প্রেরণ করে কেস নিষ্পত্তি করা হয় । সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন ।  কোন ফি লাগে না । সককারি কর্মচারী পেনশন নীতিমালা ১৯৭৪ এবং পেনশন সহজীকরন আইন ১৯৮৫ মোতাবেক সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে সেবা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কোন কারণ নাই তারপরেও ব্যর্থ হলে দায়ী ব্যক্তি চিন্হি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সহ দ্রুত সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যায় । আর কাগজপত্রের অসম্পূর্ণতা থাকলে বা জটিলতা থাকলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সমাধানের জন্য লেখা হয় । মাসে ২ থেকে ৫ জন   
   বিদ্যালয় ভবন নির্মান উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সরকারের চাহিদা মোতাবেক অথবা বিদ্যালয়ের কমিটি ইত্যাদি এর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান/সম্প্রসারণ এর জন্য উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদনের পর উপজেলা প্রকৌশলীর প্রাক্কলন সহ প্রস্তাব অধিদপ্তরে/এলজিইডি তে প্রেরণ করা হয় ।নির্মান/সম্প্রসাণের অনুমোদন পাওয়ার পর উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর হতে টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার কর্তৃক নির্মান করা হয় এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, এসএমসি , প্রকৌশল অফিস , শিক্ষা অফিস এর মাধ্যমে তদারকি করা হয় । কাজের ধরন অনুযায়ী এবং কার্যাদেশের শর্তানুযায়ী সময় নির্ধারন করা হয় । সম্পূর্ণ সরকারি বরাদ্দের মাধ্যমে কাজ হয়, সুবিধাভোগীদের কোন খরচ নাই ।  নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে উপজেলা প্রকৌশলী, জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী, এলজিইডি নিকট অভিযোগ করা যায় । বছরে ১০- ৪০ টি বিদ্যালয়   
  ক্ষুদ্র-মেরামত ও সংস্কার উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি নির্মান/সম্প্রসারণের ন্যায় সর্বোচ্চ ৩০ দিন না ------ উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রকৌশল অফিস, ইউএনও বরাবর লিখিত ভাবে জানানো যায় । বছরে ৫-৫০ টি বিদ্যালয়   
  বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটি গঠন প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটি সকরারি নীতিমালা মোতাবেক বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্য মনোনয়ন এবাং নির্বাচন এর মাধ্যমে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয় ।কমিটি গঠনের ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসাবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন । গঠিত কমিটি প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট আসবে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির অনুমোদনের পর কার্যকর হবে । ১ মাস কোন খরচ নাই কমিটি গঠনের সর্বশেষ নীতিমালা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট বা উপজেলা চেয়ারম্যান এর নিকট অভিযোগ করলে প্রতিকার করা যায় । প্রতি ৩ বছর পর   
        --- বছরে ২/৩ বার   
  বিদ্যালয়ে বিদ্যুত বিল প্রদান সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী
 বিদ্যুত বিল অফিসে দাখিল করলে বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে হিসাব রক্ষণ অফিসের পাশের মাধ্যমে শিক্ষকদের হিসাব নম্বরে পাঠিয়ে দেয়া হয়া হয় ।  বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে ৫ দিন । ------ ---------- বরাদ্দ না থাকলে সেবা দেয়া যায় না । সেক্ষেত্রে পূনরায় বরাদ্দের জন্য লেখা হয় এবং বরাদ্দ পাওয়ার পর শোধ করা হয় । বছরে ২-৪ বার   
  শিক্ষকদের জিপিএফ লোন সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারী ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে এ্যাকাউন্টস স্লিপ সহ লোনের কারণ উল্লেখ করে সহস্তে লিখিত আবেদন প্রধান শিক্ষক (সহ/শি এর ক্ষেত্রে)ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট দাখিল করতে হয় ।উপজেলা শিক্ষা অফিসার মার্ক করে সংশ্লিষ্ট অফিস সহকারীর নিকট প্রেরণ করেন । অফিস সহকারী বিল প্রস্তুত করে দাখিল করলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরের পর উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রেরণ করা হয় । উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল পাশ হলে ব্যাংকে গিয়ে শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেন ।১ম লোনের ক্ষেত্রে উপরের নিয়ম অনুসৃত হয় । ২য় লোন বা বয়স ৫২ বছর হলে অফেত যোগ্য লোনের ক্ষেত্রে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং ৩য় লোনের ক্ষেত্রে বা লোনের কিস্তি বেশি হলে বিভাগীয় উপ পরিচালরকের নিকট থেকে অনুমোদন নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে বিল করে হিসাব রক্ষণ অফিসে বিল পাশ করতে হয় । ক্ষেত্র বিশেষে ১ দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত   কোন ফি লাগে না । জিপিএফ বিধির সংশ্লিষ্ট আইন জিপিএফ এর জমার সাথে অসামঞ্জস্য পরিমান লোনের আবেদন করলে বা আবেদনে উল্লিখিত কারণের সাথে লোনের পরিমান সংগতিপূর্ণ না হলে পূনরায় আবেদন করতে হয় । ক্ষেত্র বিশেষে মাসে ১০-২০ জন   
  উচ্চতর পরীক্ষায় অংশগ্রহন প্রধান শিক্ষক, এইউইও, ইউইও, ডিপিইও চাকুরী পাওয়ার পর হলে সহস্তে লিখিত আবেদনের সাথে ভর্তির অনুমতি পত্র, পরীক্ষার রুটিন, প্রবেশপত্র, পূর্ববর্তী শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ইত্যাদি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হয় ।  সবকিছু যথাযথ থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার অনুমতির জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করেন । জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যথাযথ মনে করলে অনুমতি প্রদান করেন । ৫ দিন কোন ফি লাগে না । --- --- পরীক্ষার সময় ক্ষেত্র বিশেষে ২০-৩০ জন   
  রস্ক ( রিচিং আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন )প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি, শিক্ষোপকরণ, পোষাক ইত্যাদি প্রদান সোনালী ব্যাংক,সংশ্লিষ্ট এনজিও, শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা কমিটি ইত্যাদি একটি আনন্দ স্কুলে ২৫ থেকে ৩৫ জন ৭-১৪ বছরের ঝরে পড়া বা বিদ্যালয় বর্হিভূত শিশু থাকে ।তাদের নামে সোনালী ব্যাংকে কার্ড এ্যাকাউন্ট থাকে । এখানে উপবৃত্তির পরিমান ১ম ও ২য় শ্রেণি ৫০/- এবং ৩য় -৫ম শ্রেণি ৬০/- এবং উপবৃত্তির প্রাপ্তির জন্য কোন শর্ত নাই কেবল স্কুলে উপস্থিত থাকলেই চলে । বাকী নিয়ম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপবৃত্তি বিতরনের অনুরুপ । রস্ক প্রকল্পে ৬মাস পরপর উপবৃত্তি প্রদান করা হয় । প্রতিবছর জুলাই এবং জানুয়ারি মাসে অর্থ বিতরণ করা হয় । কোন ফি বা টাকা লাগেনা । রস্ক প্রকল্পের নির্ধারিত নীতিমালা মোতাবেক  সেবা প্রদান করা হয় তবে সময়ের হেরফের হলে যতদ্রুত সম্ভব টাকা প্রদান করা হয় ।